Entertainment

উচ্ছেবাবু সন্দেশ-চিকেন তো হলো! এবার উচ্ছেবাবু মোমো খেয়ে দেখুন না কেমন লাগে, এখানে রমরমিয়ে বিক্রি হচ্ছে সেই আশ্চর্য জিনিস

জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় সিরিয়াল হলো মিঠাই।চলতি সপ্তাহের টিআরপি একটু কমেছে সিরিয়ালের কিন্তু প্রথম পাঁচ থেকে ছিটকে যায় নি।ধূলোকণা এই সপ্তাহে বাজিমাত করেছে কিন্তু আগামী সপ্তাহে কী হবে সেটা বলা যাচ্ছে না।তবে দর্শক সিডি বয়ের সঙ্গে মিঠাই এর দূরত্ব টা খুব সহজে মেনে নিতে পারছে না। তারা চাইছে খুব জলদি রিকি নিজের আসল পরিচয় দিয়ে ফিরে আসুক মিঠাইয়ের জীবনে।

চৈত্রের চমকে যে প্রোমো দেখানো হয়েছিল তাতে আমরা ইতিমধ্যেই দেখে নিয়েছি সিদ্ধার্থের অ্যাক্সিডেন্ট হয়ে গেছে কিন্তু সিদ্ধার্থের বডি পাওয়া যায়নি।এর তিন মাস পরে রিকি দ্য রকস্টার হিসেবে ফিরে আসছে সিদ্ধার্থ কিন্তু সে কথা সে নিজে ছাড়া কেউ জানে না। তার কারণ ছদ্মবেশে থেকে এসে ওমি আগারওয়াল এবং পিসেমশাই কে ধরবে।

আর এর মধ্যেই চলে এলো সিরিয়ালের নতুন প্রোমো যা দেখে হেসে কুটিপাটি খাচ্ছে নেটিজেনরা। মিঠাই রিকিকে দেখে একদম নিশ্চিন্ত যে এটাই তার উচ্ছেবাবু কিন্তু হল্লি পার্টির বাকিরা কিছুতেই মানতে রাজী হচ্ছিল না। তারপরে রিকি আই হেট সুইটস বলে ওঠায় হল্লা পার্টির বিশ্বাস হয় যে এটাই সিদ্ধার্থ।

আজকের প্রোমোতে দেখা যাচ্ছে যে আগামীকাল রবিবার মিঠাই হল্লাপার্টি কে দিয়ে কিডন্যাপ করিয়ে আনবে রিকিকে। তাকে হাত মুখ চেপে ধরে নিয়ে আসছে হল্লা পার্টির সকলে আর মিঠাই তাদেরকে লিড করছে। এই দৃশ্য দেখে হেসে গড়াগড়ি খাচ্ছেন নেটিজেনরা। হাসতে হাসতে তারা বলছেন যে মনোহরা নিয়ে গিয়ে এবার রিকিকে ভালো করে পেটাই করবে মিঠাই।

এ তো গেল সাম্প্রতিক এপিসোড কিন্তু গত মাসের উচ্ছেবাবু সন্দেশের কথা এত জলদি ভুলে গেলে চলবে? এমনকি দোকানে দোকানে পাওয়া যাচ্ছিল এই সন্দেশ। এই সন্দেশ দেখে তো আবার অনেকে বানিয়ে ফেলেছেন উচ্ছেবাবু চিকেন। আসলে হরিয়ালি চিকেনকেই ওই মিঠাই ভক্ত উচ্ছেবাবু চিকেন নাম দিয়েছেন।

তবে এবার মিঠাইয়ের যেসব ভক্ত মোমো খেতে ভালোবাসেন তাদের জন্য চলে এলো উচ্ছে বাবু মোমো। মোমোর রং সবুজ। 99 টাকায় আটটা বড় বড় মোমো পাওয়া যাচ্ছে। এই সবুজ মোমোর নাম অনেক মিঠাই ভক্ত দিয়েছেন উচ্ছেবাবু মোমো।

কিন্তু আসলে এটা গন্ধরাজ মোমো। গন্ধরাজ লেবুর ফ্লেভার দিয়ে তৈরি হচ্ছে এই সবুজ রঙের মোমো। দক্ষিণ কলকাতার লর্ডসের মোড়ে লিয়নস নামে একটি দোকানে এই মোমো পাওয়া যাচ্ছে।সোশ্যাল মিডিয়ায় এই মোমোর ছবি ভাইরাল হয় তারপর থেকে প্রতিদিন এই দোকানে ভিড়ে পা রাখা যাচ্ছে না।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button