Bangla Serial

এখনকার মিমি ভীষণ লোভী,গায়ে পড়া! আগেকার মিমিই ভালো ছিল, বলছেন এই পথ যদি না শেষ হয়ের ভক্তরা

জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় সিরিয়াল হল এই পথ যদি না শেষ হয়।রাত দশটার সময় হওয়া এই সিরিয়াল একদম শুরুর দিকে সন্ধ্যাবেলা হতো কিন্তু তখন টিআরপি রেটিংয়ে একদম সুবিধা করতে পারেনি এই সিরিয়াল। এরপর দ্বিতীয়বার বড়োসড়ো লকডাউন হয় বাংলায় এবং সম্প্রচার বন্ধ থাকে এই সিরিয়ালের। তারপর নতুন স্লট এবং নতুনভাবে গল্প নিয়ে ফিরে আসে এই পথ। এরপরে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি এই সিরিয়ালকে।

বড়লোক বাড়ির হাসিখুশি ছটফটে মেয়ে উর্মিকে ভীষণ ভালোবাসে সাধারণ মানুষ। সাধারণত বড়লোক বাড়ির মেয়েদেরকে আমরা উদ্ধত নাক উঁচু অহংকারী হিসেবে দেখি সিরিয়ালে কিন্তু এই সিরিয়ালে সম্পূর্ণ আলাদা। মধ্যবিত্ত ট্যাক্সিচালক সাত্যকির সঙ্গে হঠাৎ বিয়ে হয়ে যায় উর্মির। এরপর সরকার বাড়িতে এসে সেই বাড়িকে আনন্দে খুশিতে ভরে তোলে উর্মি।

এর মাঝেই বিভিন্ন চরিত্রের মুখ বদল হয়। ঠাম্মি আন্টিকে আমরা তিনবার বদলে যেতে দেখি। এছাড়া উর্মির মেজো কাকাকে বদলে দেওয়া হয়। তবে সবচেয়ে রিসেন্ট যে বদলটা এসেছে সেটা হল সাত্যকির পিসির মেয়ে মিমি।আগে এই চরিত্রে অভিনয় করছিলেন তনুশ্রী কিন্তু বর্তমানে কিছুদিন হলো এই চরিত্রে অভিনয় করতে শুরু করেছেন লিজা।

এরপরেই মিমি চরিত্রের আমূল বদল ঘটেছে।এর আগে মিমি চরিত্রকে ভীষণ গুরুত্ব দেওয়া হতো, তার ডায়লগ ছিল অনেক বেশি। ছটপটে কিশোরী হিসেবে মিমিকে আমরা বেশ পছন্দ করেছিলাম। কিন্তু নতুন যে মিমিকে নিয়ে আসা হয়েছে তাকে যেন সরকার বাড়ির সঙ্গে ঠিক মানাচ্ছে না।

এই নতুন মিমির চুল স্ট্রেট করা, তাতে উজ্জ্বল লাল রং করা।একটা বাঙালি মধ্যবিত্ত পরিবারের ছোট মেয়ের এরকম সাজপোশাক আমরা খুব একটা দেখে অভ্যস্ত নই সেইজন্য প্রথমেই তার লুকটা একদম মানানসই নয় মিমির সঙ্গে।

তারপরে এই মিমিকে দেখানো হচ্ছে অনেক লোভী। আমরা জানতাম মিমি রিনির দাদা পিকলুকে পছন্দ করে। কিন্তু বর্তমানে দেখা যাচ্ছে সে উর্মির দাদার সঙ্গে একটু বেশি গায়েপড়া ভাব দেখাচ্ছে।বিশেষ করে যেভাবে সে উর্মির দাদার থেকে একের পর এক জিনিস নিয়ে চলেছে কায়দা করে তা দেখে দর্শকরা ভীষণ বিরক্ত হয়েছেন।

তারা এবার খোলাখুলি সোশ্যাল মিডিয়ায় বলছেন যে পুরনো মিমি অনেক ভাল ছিল। এই নতুন মিমিকে আমাদের ভালো লাগছেনা।আর যদি পুরনো মিমিকে আরো একবার ফিরিয়ে আনা হয় তাহলে খুব ভালো হয়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button