Bangla Serial

কুণাল অনন্যার বিয়ের জন্য অপেক্ষা করতে হবে সাত বছর, এর মধ্যে খড়ি বনির সঙ্গে বিয়ে দিয়ে দেবে কুণালের! ‘গল্পের গরু গাছে উঠছে’, হাসির ঝড় নেট দুনিয়ায়

স্টার জলসার অন্যতম শীর্ষস্থানে থাকা ধারাবাহিক হলো গাঁটছড়া। প্রথমদিকে দর্শকদের এই ধারাবাহিক ভালো লাগতো কারণ এর চরিত্রগুলি একেবারে সোজা সাপ্টা ছিল। দেখ আমি পরিচিত হওয়ায় এই ধারাবাহিক খুব সহজেই দর্শকদের আকৃষ্ট করে নেয়।

তবে বর্তমানে আবার অন্যান্য সাধারণ ধারাবাহিকগুলির মত একই পথে চলেছে এই ধারাবাহিক। খুনসুটি, প্রেম এবং গল্পের নাটকীয় মোড় যা একটা ধারাবাহিককে জিইয়ে রাখে ঠিক সেগুলি অক্ষরে অক্ষরে পালন করছে এই ধারাবাহিক।

বেশ কিছু দিন যাবত দর্শকদের মাঝে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে এই ধারাবাহিক। এতদিন পর্যন্ত ঋদ্ধি এবং খড়ির প্রেম ও ঝগড়া নিয়ে মাতামাতি চলছিল। কিন্তু এখন গল্প এতটাই পাল্টে গেছে যে টিআরপি রেটিং- এর দিক থেকেও নিজের স্থান হারিয়ে ফেলেছে।

সম্প্রতি দেখা গিয়েছে, ‘সিংহ রায়’ পরিবার তথা ‘গাঁটছড়া’ ধারাবাহিকে এসেছে এক নতুন মোড়। কুণালেরর বিয়ে নিয়ে এগুচ্ছে গল্প। সেই অনুসারে, কুণালের বিবাহের জন্য শুভ দিন ঠিক করা যাচ্ছিল না। কারণ তাদের বিয়ের জন্য নাকি আবার অপেক্ষা করতে হবে সাত বছর। তাই এটা শোনার পর রীতিমতো উৎফুল্ল হয়ে ওঠেন বনি।

তবে এমন অদ্ভুত বিষয় দেখে হাসির ঝড় উঠেছে নেট দুনিয়াতে। কারণ বাস্তবে এমনটা হওয়া অস্বাভাবিক এবং অবাস্তব। এই আনন্দ দীর্ঘস্থায়ী হয়নি বনির ক্ষেত্রে। হঠাৎ করেই কুণালের বিয়ের জন্য আশীর্বাদের দু’দিনের মাথায় তার বিয়ের দিন স্থির হয়ে যায়।

এই আচমকা বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে খড়ির মনে চিন্তা শুরু হয়েছে। বিদেশ থাকা স্বামী ঋদ্ধিকে ফোন করে কুণালের বিয়েতে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করতে থাকে সে। ব্যাচেলার পার্টির আয়োজন করে কুণাল।

পার্টিতে ফের দুষ্টু বুদ্ধি এঁটে ফেলে রাহুল-দ্যুতি। তাদের উদ্দেশ্য হলো এই বিয়েতে যে কোন রকমে হোক বাধা সৃষ্টি করা যাতে সিংহ রায় পরিবারের থেকে সঠিক প্রতিশোধ নেওয়া যায়। সেই মতো কুণালের পানীয়তে মাদক মিশিয়ে ফেলে রাহুল-দ্যুতি। নেশাগ্রস্থ কুণাল বেসামাল হয়ে টালমাটাল খেতে খেতে মেঝেতে পড়ে যায়।

বনির আর্তনাদ শুনে ছুটে যায় খড়ি। মধুজা বনিকে দোষী সাব্যস্ত করে। কিন্তু বনির পাশে আসে খড়ি। এর ফলে একটা টান টান উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে সিংহ রায় পরিবারে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button