স্টার জলসার (Star Jalsha) জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘তোমাদের রাণী’ (Tomader Rani)। এক মেয়ের ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নের আবর্তে তৈরি হয়েছে ধারাবাহিকের গল্প। একবিংশ শতকে দাঁড়িয়েও অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর মহিলাদের অনেক স্বপ্নকে জলাঞ্জলি দিতে হয়। প্রয়োজনে ছাড়তে হয় চাকরি। মানিয়ে নিতে হয় নিজের ইচ্ছে-অনিচ্ছা সঙ্গে। পিছনে ছেড়ে এগিয়ে আসতে হয় অনেক কিছুকে সমাজের এই নিয়মের ছক ভেঙে তাই বিপরীত স্রোতে হাঁটছে রাণী।
বর্ষবরণের রাতে উৎসবের মরশুম দুর্জয়ের বাড়িতে। বাড়ির সকলে নিউ ইয়ার ইভের পার্টির আয়োজন করেছে। জোরদার খাওয়া দাওয়া তো রয়েছেই, সকলে মিলে প্ল্যান করেছে কাপল ডান্স করবে তারা। কিন্তু রাণীর মুখ ভার। কারণ দুর্জয় দুর্জয় হাসপাতাল থেকে এখনও ফেরেনি।
এদিকে, রাণীর কাছে যাওয়ার জন্য ছটফট করছে দুর্জয়। কিন্তু অনিশা তাঁকে বলে তুমি এখান গেলে রাণী সব বুঝতে পারবে। ও চিন্তা করবে। এই সময় রাণী বা তার বাচ্চার উপর খামোখা চাপ কেন সৃষ্টি করবে? তারচেয়ে বরং তুমি আর আমি কোথাও একটা যাই। আগের মত লং ড্রাইভে তো যেতেই পারি আমরা। কিন্তু দুর্জয় বলে রাণীকে ছাড়া নতুন বছরে আনন্দ করার একবিন্দু ইচ্ছে নেই তার। কিন্তু বাড়ি ফিরে গেলে রাণী সবটা বুঝে যাবে। রাণী চিন্তা করুক চায় না দুর্জয়।
আরও পড়ুন: এবার বধূ নির্যাতনের শিকার তারা, কী করে বেরিয়ে আসবে এই পরিস্থিতি থেকে?
তাই রাণীকে ফোন করে সে। জানায়, তার খুব কষ্ট হচ্ছে রাণীর সঙ্গে বছরটা না কাটাতে পেরে। আজকে হাসপাতালে বিশাল চাপ। অনেক পেশেন্ট দেখতে হবে তাঁকে। রাণীকে দুর্জয় আরও বলে, “তুমি চিন্তা করো না। জানোই তো আমার কাজটা এমনই।” দুর্জয়ের গলা শুনে খানিকটা অস্বাভাবিক লাগে রাণীর। সে বারবার জিজ্ঞেস করে দুর্জয় ঠিক আছে কিনা। দুর্জয় জানায় সে এক্কেবারে ঠিক আছে। রাণী আস্বস্ত হলেও, গোমড়া মুখ করে পার্টিতে আসে।






“বিয়ে মানেই তো সিঁদুর-ফিদুর লেবড়ে-লুবড়ে…” বৈবাহিক সম্পর্কের ব্যাখ্যা দিতেই মন্তব্যে বিতর্ক উস্কে দিলেন কৌশিক সেন! ‘জীবনের ব্যাপ্তি শুধু লিভ ইন করলেই?’ ‘সত্যি কী ভাষা আপনার, ছিঃ!’ ‘পাবলিক ফিগার বলেই কি যা খুশি বলবেন?’ যারা শাঁখা-সিঁদুর পরে তাদের অপমানে, অভিনেতাকে ধুয়ে দিলেন ক্ষু’ব্ধ নেটিজেনরা!