Bangla Serial

Guddi: অনুজ নিজের মুখে স্বীকার করল সে শিরিনের চাহিদা মিটিয়েছে! গুড্ডির দিদির পেটে অনুজেরই বাচ্চা! “এটা একটা নায়ক না পচা নর্দমা?” যাচ্ছেতাই Troll করছে দর্শক

বর্তমানে বাংলা টেলিভিশনের একটি অত্যন্ত চর্চিত ধারাবাহিক হল ‘গুড্ডি’। স্টার জলসার এই ধারাবাহিকটি শুরুর কয়েক দিনের মধ্যেই নানারকম কারণের সোশ্যাল মিডিয়াতে চর্চার বিষয়বস্তু হয়েছে। কখনো নায়কের উদ্ভট সংলাপ নিয়ে আবার কখনো গুড্ডি শিরিন এবং অনুজের ত্রিকোণ অদ্ভুত সম্পর্ক নিয়ে। বর্তমানে লীনা গাঙ্গুলীর লেখা এই ধারাবাহিক দর্শকদের এক প্রকার বিরক্তির কারণ হয়ে উঠেছে।

এই ধারাবাহিকে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা যায় অভিনেতা রনজয় বিষ্ণু এবং অভিনেত্রী শ্যামৌপ্তি মুদলিকে। কিছুদিন আগে দেখা গেছে যুধাজিৎ এবং গুড্ডির বিয়ে হতে দেখে অনুজ এক্সিডেন্ট করে এবং সেই খবর গুড্ডির কাছে পৌঁছতেই বিয়ে ভেঙে সে ছুটে অনুজের কাছে চলে যায়। তারপরে অনুজ শিরিনের কাছে আবেদন করে যে যাতে সে তাকে ডিভোর্স দেয়। আর সেই সময় শিরিন বাড়ির সকলের সামনে বলে যে সে অনুজের সন্তানের মা হতে চলেছে।

এই কথা শোনার পরে অনুজ কোনো প্রতিবাদ করেনা। এমনকি বাড়ির সকলের কথা মেনে শিরিন এবং তার সন্তানকে মেনে নেওয়ার কথা বলে। তারপর গুড্ডি আর যুধাজিৎ আবার বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু তখন আবার বিয়ের মন্ডপে সিঁদুর দানের আগে গুড্ডি যুধাজিৎকে বলে যে সে তার বাবুজীর কাছে শুনেছে তাদের বিয়েতে কনে নিজে নিজে সিঁদুর পরে। আর গুড্ডি যেই আয়না দেখে নিজে নিজে সিঁদুর পড়তেই ওমনি, নেটিজেনদের কাছে আরো হাসির খোরাক হল এই ধারাবাহিক।

তবে যবে থেকে শিরিন তার মা হওয়ার খবর সামনে এনেছে তবে থেকেই অনুজ ভক্তরা মনে করছিল যে এটা হয়তো অনুজের নয় অন্য কারো সন্তান। শিরিন সেটা অনুজের ওপর দোষ দিচ্ছে। কিন্তু আর একাংশ বলছিল যদি তাই হয় তাহলে অনুজ কোনো প্রতিবাদ জানাচ্ছে না কেন! এই নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরে নানান জল্পনা হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়াতে।

তবে সম্প্রতি একটি পর্বে দেখা গেছে অনুজকে এই বিষয়ে শিরিনের সঙ্গে সম্মতি জানাতে। সেই নিয়ে একজন সোশ্যাল মিডিয়াতে লিখেছে,”কারা যেন বলছিল যে শিরিনের পেটে অন্যের বাচ্চা
শিরিন pregnant না হলেও নু’নু’জ নিজের মুখে স্বীকার করলো যে ও শিরিন এর “চাহিদা” মিটিয়েছে
পিসি কি টুরু ঝামাই না ঘষলো গুনুজ lovers দের মুখে”

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button